

রাতের খাবার শেষ করে রীতা রানী ও তাঁর স্বামী বিধান চন্দ্র রায় আলাদা দুটি ঘরে ঘুমাতে যান। রাত সোয়া ১২টার দিকে হঠাৎ নিজের ঘরের দরজায় জোরে ধাক্কার শব্দে বিধান চন্দ্রের ঘুম ভাঙে।
পাশের ঘর থেকে তাঁর স্ত্রীর অস্বাভাবিক গোঙানির শব্দ শুনতে পান। দ্রুত স্ত্রীর ঘরে গিয়ে মেঝেতে রীতা রানীর গলা কাটা নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন তিনি।
গতকাল বুধবার (২০ মে) দিবাগত রাত সোয়া ১২টার দিকে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার মমিনহাটা দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, নিহত রীতা রানী ওই এলাকার বিধান চন্দ্র রায়ের স্ত্রী।
তাঁদের এক ছেলে ও এক মেয়ে পড়াশোনার জন্য ঢাকায় থাকেন। বাড়িতে স্বামী-স্ত্রী দুজনই বসবাস করতেন। পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাত ১০টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
গাবতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবীর বলেন, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শয়নকক্ষের মেঝে থেকে ওই গৃহবধূর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে।
তিনি আরো বলেন, ঘটনার রহস্য উন্মোচনসহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।