

যশোর কোতোয়ালি থানার বিরুদ্ধে, গাড়ি আটক করে হয়রানির অভিযোগ করেন, মোছাঃ হীরা খাতুন ঢাকায় এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযোগ করেন যশোর কোতয়ালী থানা পুলিশ তার গাড়ি আটক করে এবং পরবর্তীতে তার গাড়ি হস্তান্তর না করে অবৈধভাবে তাদের হেফাজতে রেখেছেন।
মোছাঃ হীরা খাতুন (৩৮), স্বামী-মোঃ আলী হাসান আলী, পিতাঃ-মোঃ আসাদুজ্জামান, মাতা- মোছাঃ রেখা খাতুন, সাং-আড়পাড়া, থানা-শালিখা, জেলা-মাগুরা। তিনি বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের মাগুরা জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তার স্বামী মোঃ আলী হাসান এর বিরুদ্ধে একাধিক চাঞ্চল্যকর ডাকাতি মামলা তদন্তাধীন ছিল। গত-১১/০৫/২০২৬ খ্রিঃ ঢাকায় এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে অভিযোগ করেন যশোর কোতয়ালী থানা পুলিশ তার গাড়ি আটক করে এবং পরবর্তীতে তার গাড়ি হস্তান্তর না করে অবৈধভাবে তাদের হেফাজতে রেখেছেন।
গত-২৭/০৩/২০২৬ খ্রিঃ জনৈক ব্যক্তি থানাতে ফোন করে জানান যে, যশোর কোতয়ালী থানা সংলগ্ন রাস্তার বিপরীত পাশে রিচম্যান নামক পোশাকের শোরুমের সামনে রেড ওয়াইন কালারের সিএইচ আর নামক টয়োটা ব্রান্ডের একটি হাইব্রিড গাড়ি (রেজিস্টেশন নং-ঢাকা মেট্রো-২১-৪১১৩) অনেকক্ষণ যাবত পরে আছে। গাড়িটির মালিক কিংবা ড্রাইভারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা। সংবাদ পেয়ে কোতয়ালী থানা পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে যায় এবং রাত ২০.১৫ ঘটিকার সময় বিধিমোতাবেক জিডিমূলে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে বেওয়ারিশ হিসেবে পরিত্যক্ত অবস্থায় গাড়িটি জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে মোছাঃ হীরা খাতুন (৩৮) কোতয়ালী থানাতে এসে দাবি করেন যে, বেওয়ারিশ হিসেবে পরিত্যক্ত অবস্থায় রেড ওয়াইন কালারের সিএইচ আর নামক টয়োটা ব্রান্ডের হাইব্রিড (রেজিস্টেশন নং-ঢাকা মেট্রো-২১-৪১১৩) গাড়িটির মালিক সে। তিনি গাড়ির মালিক হিসেবে দাবি করায় কোতয়ালী থানা পুলিশ তাকে পরামর্শ দেয় যে, গাড়ির সঠিক কাগজপত্র আইন মোতাবেক আদালতে উপস্থাপন করে আদালতের গাড়ি হস্তান্তরের আদেশনামা নিয়ে থানায় আসলে গাড়িটি তাকে হস্তান্তর করা হবে।
অদ্যবদি মোছাঃ হীরা খাতুন (৩৮) গাড়ির সঠিক কাগজপত্র আইন মোতাবেক আদালতে উপস্থাপন করে আদালতের গাড়ি হস্তান্তরের আদেশনামা নিয়ে কোতয়ালী থানাতে যোগাযোগ করেন নাই। সুতরাং তার দেওয়া সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে থানা পুলিশের বিরুদ্ধে গাড়ি অবৈধভাবে আটক রাখার অভিযোগটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন।