1. news@oasisnews24.com : www.oasisnews24.com : www.oasisnews24.com
  2. info@www.oasisnews24.com : Oasis News 24 :
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন

যশোরে এক তরুণের আত্মহত্যা!!! প্রেমিকার দাবি খুন।

  • প্রকাশিত: সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৮ বার পড়া হয়েছে

অসহনীয় কষ্ট আর বুকভরা বেদনা নিয়ে শনিবার রাতে নিজেই নিজের জীবন শেষ করে দিলেন তিনি। রেখে গেলেন অনেক স্মৃতি। তবে মারা যাওয়ার পরও যেন তার কষ্টের অবসান হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, মৃত্যুর পর তার প্রেমিকা মধ্যরাতে এসে মরদেহের সামনে পরিবারের সঙ্গে গোলযোগ শুরু করেন। তিনি দাবি করেন, রোহানকে তার পরিবার হত্যা করেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাতে তাকে থানায় নিয়ে আসে। পরে সকালে তাকে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশিষ্ট ফল ব্যবসায়ী হেমায়েত মিয়ার ছেলে রোহান ছিলেন শৌখিন প্রকৃতির। তিনি যখন যা চেয়েছেন, পরিবার থেকে তা-ই পেয়েছেন। বিবাহিত জীবনের শুরুটা সুখের হলেও একপর্যায়ে স্ত্রী তাকে মাদকসেবীসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত করতে থাকেন। পরে তাদের সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর তুশমা নামের এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তিনি। দিন-রাত তাকে নিয়ে গাড়িতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতেন। তবে একপর্যায়ে সেই গাড়িটিও বিক্রি করতে বাধ্য হন। নানা কারণে পরিবারের কাছ থেকেও দূরে সরে যান রোহান।

অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন ধরনের মানসিক চাপে শনিবার বিকেলে তিনি বাড়িতে এসে নিজের কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেন। রাত ১১টা পর্যন্ত কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর পুরো পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। সবাই যখন রোহানের মরদেহ ঘিরে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন, ঠিক তখনই সেখানে হাজির হন তুশরা। তিনি নিজেকে রোহানের স্ত্রী দাবি করেন। শুধু তাই নয়, রোহানকে তার বাবা-মা হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচার করছেন বলেও অভিযোগ তোলেন। তবে নিজের দাবি সমর্থনে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি। স্থানীয়রা একজোট হয়ে তার এসব দাবির প্রতিবাদ জানালেও তিনি তা মানতে রাজি হননি। একপর্যায়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে এসে তুশরাকে থানায় নিয়ে যায়। পরে সকালে তাকে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল বলেন, রাতে ৯৯৯ থেকে একাধিক কল আসতে থাকে। এক পর্যায় তিনি নিজে ঘটনাস্থলে যান। তুশমার সাথে কথা বলেন। রোহানের পরিবারের সাথেও কথা বলেন। এক পর্যায় তাকে থানায় আনা হয়। সকালে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তিনি আরও বলেন, যতটুকু জানতে পেরেছেন রোহানের সাথে তুশমার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। সেই জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত।

এদিকে, রোহানুর রহমান রোহানের মৃত্যু তার পরিবার, স্বজন ও পরিচিতদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে। একসময় হাসিখুশি ও স্বপ্নময় জীবন কাটানো এই তরুণের এমন পরিণতি অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। মৃত্যুর পর তাকে ঘিরে সৃষ্ট বিতর্কও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে রোহানের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং পরবর্তী ঘটনাগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে তার পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসী।

চলে গেলেন যশোরের শংকরপুরের পরিচিত মুখ রোহানুর রহমান রোহান। অসহনীয় কষ্ট আর বুকভরা বেদনা নিয়ে শনিবার রাতে নিজেই নিজের জীবন শেষ করে দিলেন তিনি। রেখে গেলেন অনেক স্মৃতি। তবে মারা যাওয়ার পরও যেন তার কষ্টের অবসান হয়নি। অভিযোগ উঠেছে, মৃত্যুর পর তার প্রেমিকা মধ্যরাতে এসে মরদেহের সামনে পরিবারের সঙ্গে গোলযোগ শুরু করেন। তিনি দাবি করেন, রোহানকে তার পরিবার হত্যা করেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাতে তাকে থানায় নিয়ে আসে। পরে সকালে তাকে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশিষ্ট ফল ব্যবসায়ী হেমায়েত মিয়ার ছেলে রোহান ছিলেন শৌখিন প্রকৃতির। তিনি যখন যা চেয়েছেন, পরিবার থেকে তা-ই পেয়েছেন। বিবাহিত জীবনের শুরুটা সুখের হলেও একপর্যায়ে স্ত্রী তাকে মাদকসেবীসহ নানা অভিযোগে অভিযুক্ত করতে থাকেন। পরে তাদের সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটে। এরপর তুশমা নামের এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তিনি। দিন-রাত তাকে নিয়ে গাড়িতে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতেন। তবে একপর্যায়ে সেই গাড়িটিও বিক্রি করতে বাধ্য হন। নানা কারণে পরিবারের কাছ থেকেও দূরে সরে যান রোহান।

অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন ধরনের মানসিক চাপে শনিবার বিকেলে তিনি বাড়িতে এসে নিজের কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেন। রাত ১১টা পর্যন্ত কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এরপর পুরো পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। সবাই যখন রোহানের মরদেহ ঘিরে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন, ঠিক তখনই সেখানে হাজির হন তুশরা। তিনি নিজেকে রোহানের স্ত্রী দাবি করেন। শুধু তাই নয়, রোহানকে তার বাবা-মা হত্যা করে আত্মহত্যা বলে প্রচার করছেন বলেও অভিযোগ তোলেন। তবে নিজের দাবি সমর্থনে কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তিনি। স্থানীয়রা একজোট হয়ে তার এসব দাবির প্রতিবাদ জানালেও তিনি তা মানতে রাজি হননি। একপর্যায়ে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে এসে তুশরাকে থানায় নিয়ে যায়। পরে সকালে তাকে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) কাজী বাবুল বলেন, রাতে ৯৯৯ থেকে একাধিক কল আসতে থাকে। এক পর্যায় তিনি নিজে ঘটনাস্থলে যান। তুশমার সাথে কথা বলেন। রোহানের পরিবারের সাথেও কথা বলেন। এক পর্যায় তাকে থানায় আনা হয়। সকালে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তিনি আরও বলেন, যতটুকু জানতে পেরেছেন রোহানের সাথে তুশমার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। সেই জেরেই এ ঘটনার সূত্রপাত।

এদিকে, রোহানুর রহমান রোহানের মৃত্যু তার পরিবার, স্বজন ও পরিচিতদের মধ্যে গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে। একসময় হাসিখুশি ও স্বপ্নময় জীবন কাটানো এই তরুণের এমন পরিণতি অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। মৃত্যুর পর তাকে ঘিরে সৃষ্ট বিতর্কও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে রোহানের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং পরবর্তী ঘটনাগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তের দিকেই তাকিয়ে রয়েছে তার পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসী।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট