
অনেকের ধারণা, রেফারি মনিটরে না গেলে বা টিভিতে ভার চেক না দেখালে সেটি চেকই হয়নি। বাস্তবে ঘটনা তা নয়। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি গোল, গোলের আগে সম্ভাব্য ফাউল, অফসাইড, হ্যান্ডবলসহ সব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাই ভার টিম স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিভিউ করে। রেফারিকে মনিটরে তখনই ডাকা হয়, যখন ভার মনে করে মাঠের রেফারি ক্লিয়ার অ্যান্ড অবভিয়াস এরর করেছেন। তা না হলে সাইলেন্ট চেক হয়, খেলা চলতে থাকে।
এখন ম্যাচে আসি।
ইজিপ্টের যে গোলটা বাতিল হয়েছে, সেখানে ইজিপ্টের ডিফেন্ডার আগে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়ের পায়ে বুট লাগিয়েছে। এটা পরিস্কার ফাউল। মাঠের রেফারি সেটি ধরতে পারেননি। তাই এখানে ভারের কারণেই আর্জেন্টিনা সঠিক সিদ্ধান্ত পেয়েছে।
আবার আর্জেন্টিনার তৃতীয় গোল নিয়ে বলা হচ্ছে, সালাহকে ফাউল করা হয়েছিল, অথচ ভার চেক হয়নি। এটাও ঠিক নয়। ভার ঘটনাটি নিজ থেকে রিভিউ করেছে এবং হস্তক্ষেপ করার মতো কোনো ক্লিয়ার অ্যান্ড অবভিয়াস এরর পায়নি বলেই গোল বহাল রেখেছে। রিপ্লেতে দেখা যায়, আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার আগে বল জিতেছে, এরপর সংস্পর্শ হয়েছে।
ভার থাকায় এখন এক নখ পরিমাণ অফসাইডও ধরা পড়ে। তাই আধুনিক ফুটবলে ইচ্ছেমতো ম্যাচ ম্যানেজ করা আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক কঠিন। বিতর্কের পর ঘাটাঘাটি করে এতটুকুই বুঝলাম। আপনারাও করে দেখতে পারেন।
শেষ কথা হলো, একটা দল ৭৯ মিনিটের পর তিন গোল দিয়ে অবিশ্বাস্য কামব্যাক করেছে। এটা ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা কামব্যাক। সেই ফুটবলটা উপভোগ করুন। বাকিটা না হয় তর্কের খাতিরে তর্কের জন্যই থাক!