
মাগুরার একটি গ্রামে স্ত্রী ও এক সন্তানের জনক ভাতিজার বিরুদ্ধে টাকা, স্বর্ণালঙ্কার এবং জমি সংক্রান্ত অভিযোগ এনে থানায় ও আদালতে মামলা করেছেন এক প্রবাসী স্বামী।
অভিযোগকারী আব্দুল্লাহ জানান, দীর্ঘদিন আগে তিনি পার্শ্ববর্তী গাংনী গ্রামের জমির বিশ্বাসের মেয়ে আছিয়া খাতুনকে বিয়ে করেন। তাদের সংসারে তিন সন্তান রয়েছে। জীবিকার তাগিদে বিদেশে অবস্থানকালে তিনি বিভিন্ন সময়ে স্ত্রীর ব্যাংক হিসাবে প্রায় ৪০ লাখ টাকা পাঠান বলে দাবি করেন।
আব্দুল্লাহর অভিযোগ, তিনি বিদেশে থাকার সুযোগে আছিয়া খাতুনের সঙ্গে একই গ্রামের সম্পর্কে ভাতিজা ও এক সন্তানের জনক সম্রাট হোসেনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি নিয়ে পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। তিনি আরও দাবি করেন, গত ১০ এপ্রিল ২০২৬ দেশে ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে সম্রাটের সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ বৃদ্ধি পায়।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১ জুন আছিয়া খাতুন নগদ টাকা ও প্রায় দুই ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে সম্রাট হোসেনের সঙ্গে চলে যান। এছাড়া আব্দুল্লাহ দাবি করেন, তিনি পূর্বে তার স্ত্রীর নামে সাড়ে ৬ শতক জমি লিখে দিয়েছিলেন।
এ ঘটনায় টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ফেরত এবং জমি উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তিনি। এ বিষয়ে থানায় এবং আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।