ভাতিজার সাথে চাচীর পালিয়ে গেছে। এ নিয়ে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছে
ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের গোবরাপাড়া গ্রামের গোবরাপাড়ার সানজেদুর রহমান(ছল্টু) এর স্ত্রী রুমানা ইসলাম তার আপন ভাসুরের ছেলে হাসান আলীর সাথে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক ছিল। এ নিয়ে পরিবারের ভীতর কলহ চলছিল। গত ইদুল ফিতর ঈদে চাচীকে নিয়ে পালিয়ে যায় প্রেমিক ভাতিজা। পরে পরিবারের লোকজন ফিরিয়ে নিয়ে এসে স্থানীয় মাতব্বারদের মাধ্যমে সেটির সুরাহা করে পুনরায় ঘর-সংসার করছিল। এরপর দ্বিতীয়বারের মতো গত ৯ জুন আবারও তারা পালিয়ে গেছে। গৃহবধুর ৫ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। কিন্তু এবারে তাদের আর কোথাও খুঁজে পাওয়া না গেলে গৃহবধুর স্বামী থানায় সাধারন ডায়েরি করলে বিষয়টি চাওর হয়।
ভুক্তভোগী স্বামী সানজেদুর রহমান (ছল্টু) জানান, গত ৮ বছর পূর্বে পারিবারিকভাবে তাদের বিবাহ হয়। তাদের একটি ছোট্ট কন্যা সন্তান রয়েছে। ভাতিজা হাসান তার স্ত্রীকে মা বলে ডাকতো। সে তার আপন বড় ভাইয়ের ছেলে। সে বাড়িতে না থাকার সুবাদে চাচীর সাথে গভীর পরকিয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।
বিষয়টি তিনি জানতে পারলে তাকে নিষেধ করলে সে নানা ধরনের হুমকি ধামকি দেয়। তবে গত ৯ জুন গৃহবধূ রুমানা নগদ ৩ লক্ষ টাকা, তিন ভরি স্বর্ণ নিয়ে ভাতিজার হাত ধরে পালিয়ে গেছে। তিনি এর বিচার দাবি করেছেন।
এদিকে এঘটনা চাওর হওয়ার পরে গোবরাপাড়া গ্রাম সহ আশপাশের এলাকায় নিন্দার ঝড় বইছে। চায়ের দোকান থেকে অলিগলিতে মুখরোচক খবরে পরিনত হয়েছে। সমাজের অবক্ষয় বলে মনে করছেন সচেতন মহল।