
সময়টা ১৯৭৩ সাল দেশের জনপ্রিয় চিত্র নায়ক আলমগীরের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সম্ভাবনাময়ী কবি গীতিকার উপস্থাপক খোশনুর আলমগীর। শুরু হয় এক নতুন পথের পথ চলা । এক নতুন গল্পের শুরু । এক নতুন ভোর। নিজের সম্ভাবনায় ক্যারিয়ারকে বিসর্জন দিয়ে তিনি পুরোদমে একজন সাংসারিক স্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখেন।
তারপরও ঘর সংসার সামলে তিনি বহু গান বহু সাহিত্য রচনা করেছেন। চিত্রনায়ক আলমগীরের জন্য তিনি অনেক জনপ্রিয় গান লিখেছেন । চলচ্চিত্রে তার লিখা গান প্রায় ২৫ - ৩০ টির মত ।
বিবাহিত জীবনে কোলজুড়ে আসে তিনটি সন্তান। দুই মেয়ে এক ছেলে আঁখি, তুলতুল ও তাজবির । কিন্তু সে সুখের সংসার বেশিদিন টিকে নি তার । হঠাৎ সেই সুখের সংসারে নেমে আসে এক কালো ঝড়। পুড়ে ছাই হয়ে যায় সুখের সংসার।
১৯৯৯ সালে শিল্পীর ছবির শুটিং করতে গিয়ে নায়ক আলমগীরের সাথে সখ্যতা গড়ে উঠে বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনার সাথে। একে অপরকে বোঝাপড়া ভালোবাসা ভালোলাগা এবং পরিণতি অবশেষে বিয়ে ।
জানা যায় খুসনুর আলমগীর তার সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য রুনা লায়লার কাছে হাতজোড় করে মিনতি করেছিলেন । তিনি থামাতে পারেননি রুনা আলমগীরের ভালোবাসা। অবশেষে প্রেমের জয় হয় । মাঝখানে খুসনুর আলমগীর এক নিরব নিস্তব্ধ অধ্যায়ের মধ্যে পড়ে যান ।
তার বর্তমান চেহারা বর্তমান অবস্থা দেখলে মনে হবে সত্যি তিনি খুব অসহায় মন মানসিকতা নিয়ে স্বামী ছাড়া কেবলমাত্র সন্তানদের নিয়ে আছেন ।আলমগীর হয়তো রুনাকে বিয়ে করে অনেক সুখে শান্তিতে বসবাস করছেন। কিন্তু খুসনুর আলমগীরের হৃদয়ে এখনো রয়ে গেছেন চিত্রনায়ক আলমগীর ।
এবং খুসনুর আলমগীর উনার এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন তিনি রুনা লায়লাকে কখনোই ক্ষমা করবেন না।